
বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে নিয়মিত ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ায় বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
শনিবার (৬ জুন, ২০২৬) বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার হালনাগাদ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, মার্কিন ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা, ইউরো ১৪২ টাকা ৩২ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৪ টাকা ৬৮ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
এছাড়া ভারতীয় রুপি ১ টাকা ২৮ পয়সা, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০ টাকা ৪৮ পয়সা, সিঙ্গাপুরি ডলার ৯৫ টাকা ৫৮ পয়সা এবং সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৭০ পয়সায় নির্ধারিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে গুরুত্বপূর্ণ কুয়েতি দিনার ৩৯৬ টাকা ৯৩ পয়সা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৭ টাকা ৪৯ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি এবং প্রবাসী রেমিট্যান্স প্রবাহের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি মূল্য, সুদের হার এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে মুদ্রার বিনিময় হারে নিয়মিত ওঠানামা হয়। এর প্রভাব সরাসরি আমদানি ব্যয়, পণ্যের মূল্য এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়ে।
প্রসঙ্গত, বিদেশে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি নিয়মিত দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান, যা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। তাই মুদ্রা বিনিময় হারের পরিবর্তন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।