
বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বাংলাদেশ অফিসের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলারের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সাক্ষাৎকে দেশের উন্নয়ন সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি সাংবাদিকদের জানান, এ সাক্ষাৎটি সৌজন্য বিনিময়ের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইউএনডিপি প্রতিনিধি বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
ইউএনডিপি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা হিসেবে বিভিন্ন খাতে সহায়তা দিয়ে আসছে, যার মধ্যে রয়েছে দারিদ্র্য বিমোচন, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানব উন্নয়ন কর্মসূচি। এই প্রেক্ষাপটে আবাসিক প্রতিনিধির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎকে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক যোগাযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে সৌজন্য বিনিময়ের পাশাপাশি উন্নয়ন অগ্রাধিকার, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশে ইউএনডিপি নিয়মিতভাবে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে। বিশেষ করে প্রশাসনিক সংস্কার, স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ এবং ডিজিটাল গভর্নেন্সের মতো ক্ষেত্রে সংস্থাটির কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য।
এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ইউএনডিপির মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও গভীর হতে পারে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
সাক্ষাৎটি সৌজন্যমূলক হলেও এটি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার চলমান অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।