
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তার ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
রবিবার দুপুর ১২টার দিকে নাটোর শহরের আলাইপুরে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে মসজিদ, মন্দিরসহ মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠানে ৫০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হয় বলে জানানো হয়।
বক্তব্যে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, Ziaur Rahman কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার সেই ঘোষণায় অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।
তিনি আরও দাবি করেন, সেদিন যদি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, তাহলে বাংলাদেশের স্বাধীন ইতিহাস তৈরি হতো কি না তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যেত।
দুলু বলেন, গত ৫০ বছরের ইতিহাসে বিভিন্ন সময় যখন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে, তখন জিয়া পরিবার সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব, জেলা বিএনপির সদস্য শহিদুল্লাহ সোহেল, নাসিম উদ্দিন নাসিম, সাবেক পৌর মেয়র শেখ এমদাদুল হক আল মামুন এবং কাজী শাহ আলমসহ আরও অনেকে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক আলোচনার বিষয় হয়ে আছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ইতিহাসবিদরা এ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন। ফলে এ ধরনের বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।
সব মিলিয়ে নাটোরের এই অনুষ্ঠানে দেওয়া দুলুর মন্তব্যকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।