
দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও উচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত সর্বশেষ দরে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। গত ২৫ মে সকাল ১০টা থেকে এই নতুন মূল্য কার্যকর রয়েছে।
বাজুসের ঘোষিত দরে জানানো হয়েছে, নতুন দর নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত এই মূল্যেই সোনা-রুপা বিক্রি অব্যাহত থাকবে। বাজারে অন্যান্য ক্যারেটের সোনার দামও নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা প্রতি ভরি। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায়।
শুধু সোনা নয়, রুপার দামেও পরিবর্তন এসেছে। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকায়। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৫৫৮ টাকায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ওঠানামা এবং ডলারের বিনিময় হার পরিবর্তনের প্রভাব দেশীয় সোনা-রুপার বাজারেও পড়ছে। এর ফলে সময় সময় দাম সমন্বয় করতে হচ্ছে বাজুসকে।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, সোনার উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষের জন্য গহনা কেনা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে বিয়ে ও অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য স্বর্ণ কেনায় বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে।
তবে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, বিশ্ববাজারে অস্থিরতা থাকায় ভবিষ্যতে সোনার দাম আরও পরিবর্তন হতে পারে। তাই ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই বাজার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন।
সব মিলিয়ে বর্তমানে দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজার উচ্চ দামের মধ্যেই স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা চাপ তৈরি করলেও ব্যবসায়িক দিক থেকে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে।