
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি সিলেটবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে রাখতে হবে, যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা সেগুলো অপসারণ করতে পারে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে সিলেটের ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সিলেটকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা শুধু সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব নয়, এটি নগরবাসীরও দায়িত্ব। ঈদের সময় কোরবানির পশুর বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা না হলে পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ তৈরি হতে পারে। তাই সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বরাবরের মতো এবারও শাহী ঈদগাহ ময়দানেই সিলেটের প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এখানেই সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে বৃষ্টি হলেও যেন মুসল্লিদের কোনো সমস্যা না হয়, সেজন্য বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, ঈদের দিন সকাল ৮টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। নামাজ শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হবে।
এদিকে ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের কথা জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। তিনি বলেন, ঈদের কেনাকাটা, পশুর হাট এবং ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে নগরবাসীর নিরাপত্তায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মহানগর এলাকায় মোট ৭৮টি স্থানে খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রধান জামাত হবে শাহী ঈদগাহ ময়দানে। গতবারের মতো এবারও সব ঈদগাহ ও জামাতস্থলে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, নগরজুড়ে বিশেষ মোটরসাইকেল পেট্রোল চালু করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত মোবাইল টিমের পাশাপাশি রাতের নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত টিমও মোতায়েন থাকবে।
শাহী ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এবং শাহী ঈদগাহ কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।