
ঢাকায় একটি ধর্ষণ মামলায় আসামি আদালতেই বাদীকে বিয়ে করার পর জামিন পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-এর বিচারক মো. সেফাতুল্লাহ পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আসামি সাইফুল ইসলাম-এর জামিন মঞ্জুর করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম সবুজ জানান, বাদী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে আপসের আলোচনা হয়। পরে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়েতে সম্মত হন আসামি।
মামলার নির্ধারিত দিনে উভয় পক্ষ আদালতকে আপসের বিষয়টি অবহিত করলে আদালতের উপস্থিতিতেই তাদের বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। আদালত আসামিকে তিন মাসের মধ্যে দেনমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। এরপর পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করা হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী এম মিজানুর রহমান বলেন, বাদী বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং উভয় পক্ষ আপসে রাজি হওয়ায় তারা সংসার করতে চান।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি ভাটারা থানায় ৩৬ বছর বয়সী এক নারী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। পরে গত ৩১ মার্চ বারিধারা এলাকা থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি এতদিন কারাগারে ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে তাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাসে আসামি ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান এবং ভাটারার নতুন বাজার এলাকায় বাসা ভাড়া করে দেন। পরবর্তীতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। সর্বশেষ গত ১৩ জানুয়ারি বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়।