
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন অগ্রগতির তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় সরাসরি সহায়তাকারী দুই ব্যক্তিকে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে গ্রেফতার করেছে সেখানকার পুলিশ।
রোববার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছিলেন, হাদি হত্যাকাণ্ড একটি জটিল ও রহস্যজনক ঘটনা, যার পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। তিনি আশ্বস্ত করেন, তদন্তের মাধ্যমে মূল পরিকল্পনাকারীসহ সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের পরিচয় প্রকাশ করা হবে।
ডিএমপি কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি, গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করে সেগুলো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় দিনেদুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।