
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জরুরি সাংগঠনিক সভার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতাদের অংশগ্রহণে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডাকসু ক্যাফেটেরিয়া প্রাঙ্গণে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সংগঠনগত বিষয়াদি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করতে এই জরুরি সভা ডাকা হয়েছে।
সভায় দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাদের অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি।
এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন কলেজের নেতারাও সভায় অংশ নেবেন। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ, তেজগাঁও কলেজ এবং কবি নজরুল সরকারি কলেজসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম শাখার অধীন বিভিন্ন ইউনিটের নেতারাও এই সভায় উপস্থিত থাকবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে করে সংগঠনটির তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন সাধারণ সম্পাদক নাহিদ উদ্দিন নাহিদ।
কেন্দ্রীয় নেতারা সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর নেতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নির্ধারণে এই সভা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সাংগঠনিক সভা ছাত্ররাজনীতিতে গতি আনতে সহায়ক হয়। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতাদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে।
সব মিলিয়ে, ছাত্রদলের এই জরুরি সভা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সক্রিয় ও সমন্বিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন সবার নজর থাকবে সভায় কী ধরনের সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা আসে, তার ওপর।