
দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)-এর সর্বশেষ সমন্বয়ের পর নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই ধাতু।
বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার মূল্য বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় বাজারেও সমন্বয় করা হয়েছে। এর ফলে দেশের স্বর্ণবাজারে নতুন করে দামের চাপ তৈরি হয়েছে।
সর্বশেষ নির্ধারিত দামে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে মাত্র কয়েকদিন আগে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমানো হয়েছিল। তবে বাজার পরিস্থিতির পরিবর্তনে আবারও দাম বাড়ানো হয়েছে, যা ক্রেতাদের মধ্যে নতুন করে চাপ তৈরি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা, ডলারের ওঠানামা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে স্বর্ণের দামে এই ধরনের ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরাও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন, যা দাম বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।
অন্যদিকে রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। ফলে স্বর্ণ ও রুপা উভয় বাজারেই নতুন মূল্য তালিকা কার্যকর হয়েছে।
দেশের জুয়েলারি বাজারে এই দামের পরিবর্তন সরাসরি প্রভাব ফেলছে সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে বড় বিনিয়োগকারী পর্যন্ত সবার ওপর। বিশেষ করে বিয়ে-শাদি ও সামাজিক অনুষ্ঠানের মৌসুমে এই মূল্য বৃদ্ধি আরও চাপ সৃষ্টি করছে।
সব মিলিয়ে দেশের স্বর্ণবাজার এখন আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে, এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।