
শনিবার দুপুর সোয়া আড়াইটার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় অংশ নেন লাখ লাখ মানুষ, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষ সকাল থেকেই জানাজাস্থলে পৌঁছান।
হাদির জানাজার সময় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশেপাশের সমস্ত প্রবেশ পথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়। পুলিশ, র্যাব, আনসার ও সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকেন। ১ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা ও অন্যান্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়।
হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘর থেকে হাদির লাশ বিশাল শোক মিছিলের মাধ্যমে জানাজার মাঠে আনা হয়। ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবারের বিশেষ ইচ্ছা অনুযায়ী শহীদ হাদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের কাছে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি সংলগ্ন স্থানে দাফন করা হবে।
গত ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় মোটরসাইকেলে হামলার ফলে গুরুতর আহত হাদিকে পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা দেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর রাতের দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তার মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছে।
গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে হাদি তরুণ প্রজন্মের কাছে সাহসের মূর্ত প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আজকের জানাজার উপস্থিতি সেই প্রতিফলন স্পষ্ট করেছে।