
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে একাত্তর টেলিভিশনে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ চব্বিশের আন্দোলন নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইতিহাসকে কেবল একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ করে দেখলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও গণতান্ত্রিক অবদান আড়ালে থেকে যায়। তাঁর মতে, চব্বিশের আন্দোলনে যারা সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন, তারা নিজেদের সময়ের বাস্তবতায় ন্যায়, অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য ভূমিকা রেখেছেন।
শারমীন মুরশিদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি একটি চলমান চেতনা। সেই চেতনা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকাশ পায়। সমাজে যখন বৈষম্য, অনিয়ম বা নাগরিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন মানুষের সম্মিলিত প্রতিবাদ সেই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শেরই প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আন্দোলনকারীদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আবেগ বা বিভাজনের পরিবর্তে প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্যকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর ভাষায়, কোনো আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব নির্ধারণ হয় তার সামাজিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাওয়া বার্তার মাধ্যমে।
এই বক্তব্যের মাধ্যমে শারমীন মুরশিদ মূলত মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে একটি বিস্তৃত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ধারণা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন, যেখানে বিভিন্ন সময়ের গণআন্দোলন ও নাগরিক অংশগ্রহণকে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখার কথা উঠে আসে।