
ঢাকায় অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে Bangladesh national cricket team। শুক্রবার রাজধানীর Sher-e-Bangla National Cricket Stadium–এ অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক Mehidy Hasan Miraz।
সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই ম্যাচে জয় পেলেই এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করতে পারবে স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচে দারুণ জয়ের পর আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছে মিরাজের দল।
এর আগে একই ভেন্যুতে গত বুধবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে দুর্দান্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। সেই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে বর্তমানে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগই ছিল দুর্দান্ত। বোলাররা পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন এবং পরে ব্যাটসম্যানরা সহজেই লক্ষ্য তাড়া করে জয় নিশ্চিত করেন।
দ্বিতীয় ম্যাচে তাই সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বাংলাদেশ দল শুরুতেই প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে চায়।
অন্যদিকে সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয় পাওয়ার বিকল্প নেই Pakistan national cricket team–এর জন্য। প্রথম ম্যাচে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া পাকিস্তান।
পাকিস্তান দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের তারকা পেসার Shaheen Shah Afridi। তার নেতৃত্বে দলটি আজকের ম্যাচে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় ম্যাচটি দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের জন্য এটি সিরিজ নিশ্চিত করার সুযোগ, আর পাকিস্তানের জন্য এটি সিরিজে টিকে থাকার লড়াই।
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ঘিরে দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে অনেক ক্রিকেটপ্রেমী স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়েছেন।
বাংলাদেশ দল প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে সিরিজ জয় নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। বিশেষ করে বোলিং বিভাগে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে আবারও চাপে রাখা সম্ভব হবে।
অন্যদিকে পাকিস্তান দলও প্রথম ম্যাচের ভুলগুলো শুধরে ঘুরে দাঁড়াতে চাইবে। তাদের জন্য এই ম্যাচ কার্যত সিরিজ বাঁচানোর লড়াই।
ফলে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের লক্ষ্য সিরিজ নিশ্চিত করা আর পাকিস্তানের লক্ষ্য সিরিজে সমতা ফেরানো।
ক্রিকেটপ্রেমীদের দৃষ্টি এখন পুরোপুরি ঢাকার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের দিকে, যেখানে নির্ধারিত হবে সিরিজের ভাগ্য।