
দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এর অংশ হিসেবে বিপিসির অধীন বিপণন কোম্পানিগুলোকে তাদের নিবন্ধিত গ্রাহকদের কাছে সরাসরি জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) বিপিসির প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে নিয়মিতভাবে জ্বালানি আমদানি করা হচ্ছে।
সরবরাহ সূচি অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের উৎস থেকে জ্বালানির পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে এবং সেগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া প্রধান জ্বালানি স্থাপনাগুলো থেকে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে নিয়মিতভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
রেল ওয়াগন এবং ট্যাংকারের মাধ্যমে এই জ্বালানি তেল বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিপিসি জানিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে সচল রাখতে তাদের অধীন বিপণন কোম্পানিগুলোকে নিবন্ধিত গ্রাহকদের কাছে সরাসরি জ্বালানি সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং সরবরাহ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বিপিসির মতে, এই পদক্ষেপের ফলে জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না এবং গ্রাহকরা নিয়মিতভাবে প্রয়োজনীয় জ্বালানি পেতে পারবেন।
বিপিসির অধীন বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কোম্পানি দেশে জ্বালানি তেল পরিশোধন, সংরক্ষণ, বিপণন ও পরিবহনের কাজ পরিচালনা করে।
এই কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড, পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড এবং যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড।
এ ছাড়া ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স পিএলসি, এলপি গ্যাস লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এবং পেট্রোলিয়াম ট্রান্সমিশন কোম্পানি পিএলসি-ও বিপিসির অধীন পরিচালিত হয়।
এই প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের জ্বালানি তেল পরিশোধন, বিতরণ এবং পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে।
বিপিসি জানিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করা হচ্ছে।
দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে নিয়মিত আমদানি এবং বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।