
খুলনায় ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায় সার্কিট হাউস ময়দানে। জেলা প্রশাসনের এক প্রস্তুতিসভায় সোমবার (৯ মার্চ) এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই দিনে খুলনা টাউন জামে মসজিদে সকাল ৯টা ও ১০টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
প্রস্তুতিসভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, যদি আবহাওয়া প্রতিকূল থাকে, তাহলে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে বিকল্প স্থানগুলোতে। এতে খুলনা টাউন জামে মসজিদে সকাল ৮টায় এবং খুলনা আলিয়া মাদরাসার মডেল মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডেও পৃথকভাবে ঈদের জামাতের আয়োজন করা হবে। এর তত্ত্বাবধানে থাকবেন সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা। জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকারের সভাপতিত্বে সভায় অংশ নেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শেখ ইমরান এবং অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।
সভায় আরও জানানো হয়, ঈদের দিন সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে সঠিক রঙ ও মাপের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং সড়কদ্বীপসমূহে জাতীয় পতাকা ও “ঈদ মোবারক” লেখা পতাকা দিয়ে সজ্জা করা হবে।
সড়ক ও নৌপথে ঘরে ফেরা মানুষদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করবে। এছাড়া ঈদের দিনে সকল সরকারি হাসপাতাল, এতিমখানা, শিশু পরিবার, কারাগার, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র এবং দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রসমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।
ঈদ উপলক্ষ্যে স্থানীয় পত্রিকাগুলো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। জেলা প্রশাসক বিশেষভাবে অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ করেছেন, ঈদের আগের রাতে পটকা ও আতশবাজি ফোটানো থেকে শিশুদের বিরত রাখতে।
সর্বোপরি, খুলনা জেলা প্রশাসন এবারের ঈদ উদযাপনকে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সকল প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রধান জামাতের সময়সূচি, বিকল্প স্থান, এবং স্থানীয় ওয়ার্ডে পৃথক জামাতের আয়োজন নিশ্চিত করেছে প্রশাসন, যাতে সর্বোচ্চ ধর্মপ্রাণ মানুষ নিরাপদে ঈদ জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারে।