
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম রাজধানীতে চাঁদাবাজি কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সোমবার (৯ মার্চ) সকালে পুরান ঢাকার সিদ্দিক বাজার কমিউনিটি সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ফুটপাত বা অন্য কোনো স্থানে চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীরও কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।
প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, নগরী পরিষ্কার রাখা কেবল সিটি করপোরেশনের পক্ষেই সম্ভব নয়; এজন্য নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন। যারা ময়লা অপসারণের টেন্ডার নিয়েছেন, তারা যদি নির্ধারিত অর্থের বেশি অর্থ নেন, যেমন ১০০ টাকার বেশি, তবে তাদের টেন্ডার বাতিল করা হবে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, কমিউনিটি সেন্টারটি একটি স্মৃতি হিসেবে শহরের মানুষের জন্য তৈরি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নগরবাসী এবং সিটি করপোরেশন একযোগে মিলেমিশে কাজ করলে শহর আরও পরিষ্কার ও স্বচ্ছ হবে।
তিনি আরও বলেন, নগরের ফুটপাত, রাস্তাঘাট এবং জনসাধারণের চলাচলের জায়গা যেন চাঁদাবাজি থেকে মুক্ত থাকে তা নিশ্চিত করা হবে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসক এই কথাও উল্লেখ করেন যে, কমিউনিটি সেন্টারগুলো শুধু মানুষের জন্য আড্ডা বা সভা করার জায়গা নয়, বরং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্র হিসেবেও কাজ করবে। শহরের উন্নয়নে নাগরিকদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
এই ঘোষণার মাধ্যমে ডিএসসিসি প্রশাসক স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, নগরীর ফুটপাত ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চাঁদাবাজি কোনো অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ মিলে নগরীকে আরও স্বচ্ছ ও সুন্দর করে তোলা সম্ভব হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় মানুষরা কমিউনিটি সেন্টারের উদ্বোধনকে গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ হিসেবে স্বাগত জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই কেন্দ্র শহরের নাগরিক সেবা বৃদ্ধি করবে এবং শহরের সংস্কৃতি ও সামাজিক সংহতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সংক্ষেপে, ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালামের ঘোষণা অনুযায়ী, নগরীতে চাঁদাবাজি বন্ধ, ময়লা অপসারণে নিয়মানুগ কাজ এবং নাগরিকদের সহযোগিতা মিলিয়ে ঢাকা আরও পরিষ্কার ও সুন্দর হয়ে উঠবে।