
আসন্ন পবিত্র শবেকদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার সরকারি ছুটি এক দিন বৃদ্ধি করেছে। রবিবার (৮ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বনির্ধারিত ছুটির মধ্যবর্তী ১৮ মার্চ ২০২৬ (বুধবার) নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব এ বি এম আবু বাকার ছিদ্দিক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই ছুটির দিনে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা ছুটির সুযোগ পাবেন।
ছুটির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতরের সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়াও আগামী ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি। অর্থাৎ, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস হবে ১৬ মার্চ। এই হিসেবে, সরকারি কর্মীরা ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত একটানা ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।
ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস পুনরায় খোলা থাকবে। এ সময় বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম শুরু করবে। অফিস খোলার সঙ্গে সঙ্গে নিত্যদিনের সরকারি কাজকর্মও স্বাভাবিক হবে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ছুটির সময় সরকারি দপ্তর, শাখা ও সংস্থাগুলো সাধারণ জনগণের জন্য বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি সেবাসমূহ, যেমন হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং অন্যান্য জরুরি সেবা চলমান থাকবে। এছাড়া ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির জন্যও ছুটির সময়সূচি অনুসরণ করা প্রয়োজন।
বছরের এই গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবের সময় সরকারি ছুটি বাড়ানো দেশের মানুষকে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ দেয় এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ উদযাপনে সহায়তা করে। বিশেষত শবেকদর ও ঈদুল ফিতরের আগে সরকারি অফিস বন্ধ থাকায় দেশজুড়ে কর্মীরা পরিবার, সমাজ ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণকে সময়মতো অফিস পুনরায় খোলার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও বলা হয়েছে, ছুটির সময় সময়মতো দপ্তরে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া।
সংক্ষেপে, ২০২৬ সালের শবেকদর ও ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি বাড়িয়ে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ করা হয়েছে, যাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরিবার ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন এবং দেশের নানা সরকারি ও বেসরকারি কার্যক্রমে বিরতি ছাড়া পরিকল্পনা করতে সক্ষম হন।