
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে জানিয়েছেন, তিনটি ইরানি জাহাজ ৯ ও ১৩ মার্চ শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য অনুমতি চেয়েছে। ইরানি সরকার গত ২৬শে ফেব্রুয়ারি সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই সফরের জন্য শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিল।
বৃহস্পতিবার রাতে বিশেষ সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রেসিডেন্ট দিসানায়েকে বলেন, চলমান বা ভবিষ্যতের কোনো আন্তর্জাতিক সংঘাতে শ্রীলঙ্কার ভূখণ্ড, সমুদ্রসীমা বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
প্রেসিডেন্ট আরও জানান, আইআরআইএস বুশেহর নামের একটি ইরানি জাহাজ কলম্বো বন্দরের কাছে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে নোঙর করা রয়েছে। জাহাজটি শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছে এবং জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করে তীরে আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরানি দূতাবাস ও শ্রীলঙ্কা সরকারের আলোচনার পর ক্রুদের উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনীর জাহাজগুলো সংশ্লিষ্ট জাহাজের কাছে পৌঁছে ক্রুদের উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট দিসানায়েকে জানিয়েছেন, মোট ২০৮ জন ক্রুকে তীরে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৩ জন কর্মকর্তা, ৮৪ জন ক্যাডেট, ৪৮ জন সিনিয়র নাবিক এবং ২৩ জন নাবিক রয়েছেন।
এই ২০৮ জনকে প্রথমে জাহাজ থেকে শ্রীলঙ্কার নৌযানে স্থানান্তর করা হবে এবং পরবর্তীতে তাদের ত্রিনকমালি বন্দরের এলাকায় নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, দেশের জলসীমা এবং আকাশসীমা কোনো আন্তর্জাতিক সংঘাতের জন্য ব্যবহার করা হবে না, তবে মানবিক কারণে ইরানি ক্রুদের নিরাপদে উদ্ধার করা হচ্ছে।