
বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই উপদেষ্টাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচারের দাবি করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এই দাবি তোলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, “গতকাল আমরা একটি রাজসাক্ষী পেয়েছি। সেই রাজসাক্ষী সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রিজওয়ানা। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, আমরা (জামায়াত) নারীদের উপযুক্ত অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছি। তিনি স্বীকার করেছেন, নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা জানতে চাই তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং বর্তমান সরকারের কাছে, তারা কি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামীকে মূলধারা বা প্রধান দল হিসেবে মেজরিটি পেতে বাধাগ্রস্ত করেছে। এছাড়া সাবেক উপদেষ্টার সঙ্গে কে কে জড়িত ছিলেন, তা জানতে চাই। পুরো গভর্নমেন্টের অংশ কি ছিল নাকি শুধুমাত্র সরকারের একটি অংশ, যারা নির্বাচন প্রভাবিত করতে ডিসি, এসপি, টিএনও, ওসি, প্রিজাইডিং অফিসার ইত্যাদি নিয়োগ করেছে।”
জামায়াতের এই দাবিতে স্পষ্ট হয়েছে, তারা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টাদের দায় অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনগত ব্যবস্থা চাইছে।