
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকজন পশ্চিমা কর্মকর্তা দাবি করেছেন, বর্তমান গতিতে হামলা অব্যাহত থাকলে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইলের মজুদ কয়েক দিনের মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসতে পারে।
এক জ্যেষ্ঠ পশ্চিমা কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক অভিযানে ইরানের বেশ কিছু মিসাইল লঞ্চার ধ্বংস হওয়ায় হামলার হার কমে এসেছে। তার মতে, এ কারণে ইরান এখন তুলনামূলকভাবে সীমিত হারে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। তবে তিনি এটিও উল্লেখ করেন, তেহরান হয়তো কৌশলগত কারণে তাদের কিছু মজুদ সংরক্ষণ করে রাখছে।
আরেক কর্মকর্তা বলেন, ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে থাকা দেশগুলোও নিজেদের প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত ব্যবহার করে ফেলছে, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তার ভাষায়, প্রতিরক্ষামূলক মজুদ ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে, যাতে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সক্ষমতা বজায় থাকে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, উভয় পক্ষের সামরিক সক্ষমতা, কৌশলগত সংযম এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ—সবকিছু মিলিয়েই আগামী দিনের পরিস্থিতি নির্ধারিত হবে। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এসব গোয়েন্দা মূল্যায়নের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।