
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-এর স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ আহত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। সোমবার (২ মার্চ) তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার সময় তিনি বাসভবনের নিকটবর্তী স্থানে অবস্থান করছিলেন। বিস্ফোরণের আঘাতে গুরুতর আহত হলে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সেই আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি-এর বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য প্রকাশ করেছে। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট স্থান, সময় কিংবা ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে একই হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। পাশাপাশি তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য, যার মধ্যে কন্যা, জামাতা ও নাতি রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তারাও নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। আরও দাবি করা হয়েছে, পৃথক আরেক হামলায় খামেনির এক পুত্রবধূর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।
তবে এসব ঘটনার বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিশ্চিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের সঙ্গে যোগাযোগের ভিত্তিতে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরিস্থিতির অগ্রগতি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপের দিকনির্দেশনা।