স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Salahuddin Ahmed রবিবার (১ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় অনেক ভালো এবং সরকার আরও উন্নতির জন্য কাজ করছে। সীমান্ত নিরাপত্তা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ নিযুক্ত হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সীমান্তে যাতে আর কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নিহত না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য হাইকমিশনারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
চট্টগ্রামে এক ব্যবসায়ীর বাসায় গুলি বর্ষণের ঘটনায়ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের পদক্ষেপ দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কবে ব্যারাকে ফিরে যাবে, সে বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় ভিত্তি করে নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, লাইসেন্সকৃত যে সমস্ত অস্ত্র এখনও জমা দেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে একটি আইনি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এছাড়া, রাজনৈতিক কারণে কোনো অস্ত্র লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল কি না তা নিশ্চিত করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্থিতিশীলতার জন্য নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রশাসনিক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হলে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম সীমিত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপন করতে পারবে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।
সব মিলিয়ে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের সক্রিয় অবস্থানের প্রমাণ দিচ্ছে। আগামী দিনে সরকারের আরও পদক্ষেপ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
