
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। ব্যক্তিগত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে উন্নতির দিকে রয়েছে। নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তার চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি তিনি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। তার অসুস্থতার খবর প্রকাশের পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বিশ্রাম ও চিকিৎসা গ্রহণ করছেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নির্বাচনে বিজয়ের পর নতুন সরকারে তিনি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অর্থনৈতিক ও পরিকল্পনাসংক্রান্ত বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
নিউমোনিয়া একটি শ্বাসতন্ত্রজনিত সংক্রমণ, যা চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকায় তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলছে।
তার অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কার্যক্রমে সাময়িক পরিবর্তন হতে পারে কি না—এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন মহল থেকে সুস্থতা কামনা করে বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবার ও স্বজনরা তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
সার্বিকভাবে বলা যায়, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল এবং উন্নতির দিকে রয়েছে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি চিকিৎসা গ্রহণ করছেন এবং সুস্থ হয়ে দ্রুত কর্মস্থলে ফিরবেন—এমনটাই আশা সংশ্লিষ্টদের।