বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে ইফতার অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াতপত্র পৌঁছে দেন। সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী দাওয়াত আন্তরিকভাবে কবুল করেছেন এবং অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ওনার পরিবারসহ, অর্থাৎ সম্মানিত স্ত্রী ও সন্তানদেরও আমন্ত্রণ জানাতে বলেছেন। আমরা উভয়কেই দাওয়াতপত্র পৌঁছে দিয়েছি।’ এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ায় ইফতার অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে এই ইফতার আয়োজন সামাজিক ও রাজনৈতিক দুই দিকেই গুরুত্বপূর্ণ। ইফতারের মাধ্যমে দলটির নেতৃবৃন্দ ও সমর্থকরা একত্রিত হবেন এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন। এছাড়া, এটি দলের জন্য জনসংযোগ এবং নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জনগণের সংযোগ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
সেক্রেটারি জেনারেলের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণে ইফতার অনুষ্ঠানের গুরুত্ব দ্বিগুণ হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবার অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত থাকবেন, যাতে দেশের জনগণ ও দলের সদস্যরা উভয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন।’
২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ইফতার অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ের একটি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করবে এবং দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বার্তা বহন করবে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে এই আয়োজনকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অতিথিদের সুষ্ঠু স্বাগত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। এতে অতিথিদের সম্মান এবং অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করা হয়েছে।
এই ইফতার অনুষ্ঠান শুধু খাদ্য এবং সামাজিক সমাবেশের জন্য নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে সংলাপ ও সমন্বয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ও প্রভাবকে আরও বৃদ্ধি করবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, ‘আমরা আশা করি প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবার ইফতার অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। এটি দলের সদস্য ও সাধারণ জনগণের মধ্যে উষ্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়ক হবে।’
এভাবে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয়ভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হিসেবে মনে থাকবে।
