
ঢাকা-৯ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাবিবুর রশিদ বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথগ্রহণ করাবেন।
হাবিবুর রশিদ সরকারের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তিনি দেশের নীতি প্রণয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সংসদীয় দায়িত্বও পালন করবেন।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সকাল পৌনে ১১টার দিকে শপথগ্রহণ করেছেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।
হাবিবুর রশিদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি সরকারের কার্যক্রম ও নীতি বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে ধরা হচ্ছে। তিনি মন্ত্রিসভার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। তার দায়িত্ব ও অভিজ্ঞতা দেশ ও জনগণের কল্যাণে কার্যকরভাবে কাজে লাগবে।
এই মন্ত্রিসভায় ঢাকা-৯ এমপির পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন—পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন ড. খলিলুর রহমান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামলাবেন সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন খন্দকার মোশাররফ। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিমানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাবেন অনিন্দ ইসলাম অমিত।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে থাকবেন আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ে ইকবাল হাসান টুকু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে মির্জা আব্বাস। এছাড়া নিতাই রায় চৌধুরী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আন্দালিব পার্থ, আসাদুজ্জামান ও এমদাদুল হক মিলনেরও ডাক পড়বে মন্ত্রিসভায়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন হুমায়ুন কবির।
হাবিবুর রশিদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি স্থানীয় জনগণ ও দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নতুন দিকনির্দেশনা আনবে। শপথগ্রহণের পর তিনি সরকারি নীতি বাস্তবায়ন, উন্নয়নমূলক উদ্যোগ ও সংসদীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। এটি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে নেতৃত্ব, দক্ষতা এবং কার্যক্ষমতা প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর হাবিবুর রশিদ দেশের বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রম ও নীতি প্রণয়নে অংশ নেবেন। শপথ নেওয়ার পর তার দায়িত্ব পালন দেশের প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, জনগণের কল্যাণমূলক কাজ এবং সরকারের নীতি-নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।