
সিরাজগঞ্জ শহরে মেয়েকে মাদ্রাসায় দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বাস চাপায় আঁখি খাতুন নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু ঘটেছে। এ দুর্ঘটনা রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের বিয়ারা ঘাট ঈদগাহ মাঠের সামনে ঘটে। নিহত আঁখি খাতুন ৩২ বছর বয়সী এবং বিয়ারা ঘাট গ্রামের ফারুক হোসেনের স্ত্রী।
সদর থানার ওসি মো. শহীদুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত গৃহবধূ আঁখি খাতুন তার মেয়েকে শহরের একটি মাদ্রাসায় পৌঁছে দিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী একটি এসআই পরিবহনের বাস তাকে চাপা দেয়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর বাস চালক আশরাফুল ইসলামকে যমুনা সেতু পশ্চিম থানা পুলিশ দ্রুত আটক করেছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং আহতদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলেন, বাসচাপার ঘটনায় অনেক সময়ই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং সড়কে অতিরিক্ত গতি বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হয়ে থাকে। এই ঘটনাও তার একটি উদাহরণ। নিহত আঁখি খাতুনের পরিবার শোকাহত এবং তারা বাসচালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সদর থানার পুলিশ জানিয়েছে, পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়ক দুর্ঘটনার তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে এবং গাড়ি চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হবে। এছাড়া দুর্ঘটনাস্থলে যমুনা সেতু পশ্চিম থানার পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।
দুর্ঘটনার পর এলাকার মানুষও সতর্কবার্তা দিয়েছে, যাতে সড়কে অতিরিক্ত গতি ও অবহেলার কারণে আরও প্রাণহানি না ঘটে। স্থানীয় সমাজকর্মীরা emphasise করছেন, সড়ক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন।
সংক্ষেপে, সিরাজগঞ্জে মেয়েকে মাদ্রাসায় দিয়ে ফেরার পথে বাস চাপায় আঁখি খাতুনের মৃত্যু ঘটেছে। বাস চালককে আটক করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। দুর্ঘটনাটি স্থানীয় জনজীবনে শোক ও সতর্কতার বার্তা দিয়েছে, যেখানে সড়ক নিরাপত্তা, দায়িত্বশীল গাড়ি চালক এবং পথচারীদের সজাগ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।