
ঝিনাইদহে তিনটি আসনে ভোটপরবর্তী হামলা-ভাঙচুর ও দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ)
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ চলতে থাকে। স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী) প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের প্রধান নির্বাচনী অফিসে হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় প্রায় ২৮ জন স্বতন্ত্র সমর্থক ও ২ জন ধানের শীষ সমর্থক আহত হন। আহতদের মধ্যে সাবেক বহিষ্কৃত পৌর বিএনপির নেতা জবেদ আলী, ছাত্রদল নেতা ইভন, খোকন ও মোশারেফ শেখসহ একাধিক ব্যক্তিকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ অভিযোগ করেছেন, “আমার অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে, কর্মী সমর্থকদের কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”
ধানের শীষ প্রার্থী রাশেদ খান বলেছেন, “কে বা কারা অফিস ভাঙচুর করেছে আমার জানা নেই। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে।”
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জেল্লাই হোসেন জানিয়েছেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।”
ঝিনাইদহ-২ আসন
একটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে, যার ফলে একজন আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ঝিনাইদহ-৩ আসন (মহেশপুর)
প্রেস ক্লাবে ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ফলে ঝিনাইদহের নির্বাচনী এলাকা সমূহে ভোটপরবর্তী সহিংসতা এবং উত্তেজনা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ নজরদারিতে রয়েছে।