
রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫টিতে জামায়তে ইসলামীর প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
রংপুর-১: রায়হান সিরাজী (জামায়াত) ১,৫০,০৮৮ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোকাররম হোসেন সুজন (বিএনপি) ৬৯,৪০৭ ভোট।
রংপুর-২: এটিএম আজাহারুল ইসলাম (জামায়াত) ১,৩৯,৬৮০ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আলী সরকার (বিএনপি) ৭৯,৮৭০ ভোট।
রংপুর-৩: মাহবুবুর রহমান বেলাল (জামায়াত) ১,৭৫,৮৯৪ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সামছুজ্জামান সামু (বিএনপি) ৮৪,৫৭৮ ভোট।
রংপুর-৪: আখতার হোসেন (এনসিপি) ১,৬৫,৭১১ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমদাদুল হক ভরসা (বিএনপি) ১,২১,৮৪৬ ভোট।
রংপুর-৫: অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (জামায়াত) ১,৭৫,২০৮ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম রব্বানী (বিএনপি) ১,১৪,১৪০ ভোট।
রংপুর-৬: নুরুল আমিন (জামায়াত) ১,১৮,০১৬ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুল ইসলাম (বিএনপি) ১,১৬,৬৪৬ ভোট।
কুড়িগ্রামের ৪টি আসনের মধ্যে ৩টিতে জামায়াত ও ১টিতে এনসিপি বিজয়ী হয়েছেন।
কুড়িগ্রাম-১: আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াত) ১,৩৪,৬৪৮ ভোট; সাইফুর রহমান রানা (বিএনপি) ১,১৭,৩৫৬ ভোট।
কুড়িগ্রাম-২: ড. আতিক মুজাহিদ (এনসিপি) ১,৭৯,৭৮৬ ভোট; সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ (বিএনপি) ১,৬৯,৩৮৬ ভোট।
কুড়িগ্রাম-৩: ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী (জামায়াত) ১,০৫,৫৯৪ ভোট; তাসভীরুল ইসলাম (বিএনপি) ৭৭,৯৬৩ ভোট।
কুড়িগ্রাম-৪: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক (জামায়াত) ৭৮,৯৪৩ ভোট; আজিজুর রহমান (বিএনপি) ৫৭,৯৪৫ ভোট।
নীলফামারীর ৪টি আসনের সব প্রার্থী জামায়তে ইসলামীর জয়ী হয়েছেন।
নীলফামারী-১: মাওলানা আব্দুস সাত্তার ১,৪৯,২১৪ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী (বিএনপি) ১,১৮,১৬০ ভোট।
নীলফামারী-২: আলফারুক আব্দুল লতিফ ১,৪৫,২০২ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন (বিএনপি) ১,৩৪,৫৭৯ ভোট।
নীলফামারী-৩: মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী ১,০৮,৫৬০ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ আলী (বিএনপি) ৮৯,১০২ ভোট।
নীলফামারী-৪: হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম ১,২৪,৮৬৫ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল গফুর সরকার (বিএনপি) ৮১,৫২৬ ভোট।
বিজয়ী প্রার্থীরা ভোটার ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এবং উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।