
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ জয় অর্জন করায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মোদির বার্তায় বলা হয়, এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের নেতৃত্বের ওপর অগাধ আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার বহুমুখী সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে উভয় দেশ একযোগে কাজ করবে।
প্রধানমন্ত্রী মোদি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ভারত সবসময় একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকবে। তিনি আরও বলেছেন যে, দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আগামীতে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
মোদির মতে, তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে। এই অভিনন্দন বার্তাটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিএনপির নতুন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক স্বীকৃতি হিসেবে ধরা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা ও বগুড়ার আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। মোদি তার বার্তায় দুই দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই দ্রুত অভিনন্দন বার্তা ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তারেক রহমান-ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাশোধ ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার পর গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসাকে ভারতের পক্ষ থেকে বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দন বার্তা ইতিমধ্যে বিএনপির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ ও এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে শেয়ার করা হয়েছে, যা নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে।