
জাতীয় পার্টির দুর্গ খ্যাত রংপুর এবার কোনো আসনও পায়নি। দলের ধসের পাশাপাশি শীর্ষ দুই নেতা জিএম কাদের এবং শামীম হায়দার পাটোয়ারী ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিতে পারেননি কার্যকরভাবে।
জিএম কাদের রংপুর-৩ (সিটি কর্পোরেশন ও সদর) আসনে তৃতীয় হয়েছেন।
শামীম হায়দার পাটোয়ারী গাইবান্ধা-১ আসনে তৃতীয় হয়েছেন।
রংপুরে জয়জয়াকার হয়েছে জামায়াতে ইসলামী। ভোটে দলটির জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আকতার হোসেন জয়ী হয়েছেন জেলার অপর আসনে।
বিস্তারিত ফলাফল:
রংপুর-১: জামায়াতের রায়হান সিরাজী ১,৭৪,২৪৫ ভোট, বিএনপি মোকারম হোসেন সুজন ৬৯,১৩১ ভোট।
রংপুর-২: জামায়াতের এটিএম আজাহারুল ইসলাম ১,৩৫,৫৫৬ ভোট, বিএনপি মোহাম্মদ আলী সরকার ৮০,৫৩৮ ভোট।
রংপুর-৩: জামায়াতের মাহবুবার রহমান ১,৭৫,৮২৭ ভোট, বিএনপি শামসুজ্জামান সামু ৮৪,৫৭৮ ভোট, জিএম কাদের ৪৩,৩৮৫ ভোট।
রংপুর-৪: এনসিপির আকতার হোসেন ১,৪৯,৯৬৬ ভোট, বিএনপি এমদাদুল হক ভরসা ১,৪০,৫৬৪ ভোট।
রংপুর-৫: জামায়াতের গোলাম রব্বানী ১,৭৬,৪১১ ভোট, বিএনপি গোলাম রব্বানী ১,১৫,১১৬ ভোট।
রংপুর-৬: জামায়াতের নুরুল আমীন ১,২০,১২৮ ভোট, বিএনপি সাইফুল ইসলাম ১,১৭,৭০৩ ভোট।
গাইবান্ধা-১: জামায়াতের মো. মাজেদুর রহমান ১,৪০,৭২৬ ভোট, বিএনপি খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী ৩৭,৯৯৭ ভোট, জাতীয় পার্টি শামীম হায়দার পাটোয়ারী ৩৩,৯৭৬ ভোট।
এভাবে রংপুরে জাতীয় পার্টি কোন আসনই জেতে পারেনি, বরং জামায়াত ও এনসিপি জোটের বিজয়ী প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।