
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ভোটগ্রহণ চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বুড়িরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আসাদিয়া কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।
শ্যামলী সুলতানা জেদনী তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা রাস্তায় অবরোধ সৃষ্টি করে তার ওপর হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, তাকে রড দিয়ে মারধর করা হয়েছে, তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং ফোন ভেঙে ফেলা হয়েছে। এছাড়া তাকে মারধরের ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং তার গাড়িচালককেও কয়েকজন মিলে মারধর করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রশাসন নিষ্ক্রিয় ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, বিএনপি নেতা লিটন চৌধুরী ও স্বপন মেম্বারের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি বঁটি, রামদা ও শটগান নিয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয় এবং হামলা চালায়। এ সময় শ্যামলীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ভিডিও ধারণ করতে গেলে অন্য একজনের মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক মো. হাফিজুর রহমান দাবি করেন, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বুড়িরচর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কাফি ফরাজি। তিনি জানান, কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে, তবে হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।