
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্য চুক্তি ভারতের বস্ত্র ও তুলা খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। চুক্তিতে বাংলাদেশি কিছু পোশাক পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক ছাড়াই বিক্রি করা যাবে, যা ভারতীয় রপ্তানিকারকদের মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতায় দুর্বল অবস্থানে রাখছে।
চুক্তির আগে ভারতের বস্ত্র রপ্তানিতে ৫০ শতাংশ শুল্ক ছিল, যা এখন ১৮ শতাংশে এসেছে। বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ছাড় সুবিধার ফলে তারা ভারতের তুলনায় সস্তা পণ্যে মার্কিন বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
বাংলাদেশের বস্ত্র খাত দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশ এবং দেশের তুলা আমদানি বিশ্বের বড় খাত। নতুন চুক্তি মার্কিন তুলা ব্যবহার করে পোশাক উৎপাদনের সুযোগ বাড়িয়েছে, যা ভারতীয় তুলা ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করেছে।
ইতোমধ্যে ভারতীয় বস্ত্র ও সুতা উৎপাদনকারী কোম্পানির শেয়ারে চাপ পড়েছে। বিরোধী কংগ্রেস দল ও রাজ্যসভার সদস্য প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী চুক্তি নিয়ে মোদি সরকারের সমালোচনা করেছেন। কংগ্রেসের দাবি, দেশীয় তুলাচাষি ও রপ্তানিকারকরা চুক্তির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
চূড়ান্ত যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য চুক্তি এখনও সই হয়নি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারতের পক্ষ থেকে শুল্ক ও বাণিজ্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করার চেষ্টা হতে পারে।