
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের ১২৭টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
এছাড়া কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মোট ১৪৯১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৩৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২২৭টি কেন্দ্রকে “অধিক ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পূর্ববর্তী জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় নির্বাচনের সময় সংঘটিত সহিংসতার তথ্য বিবেচনা করে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শেষ কয়েক দিনে চৌদ্দগ্রামে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়েছে।
কুমিল্লা-১১ আসনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার মুখোমুখি রয়েছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপি সভাপতি ধানের শীষ প্রতীকের কামরুল হুদা। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন, গণফ্রন্ট, জাতীয় পার্টি, সাংস্কৃতিক মুক্তিযুদ্ধ জোট এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থীরাও নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।
সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরুল আমিন জানান, অতীতের যেকোনও সময়ের তুলনায় এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকবে। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কেন্দ্রগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে।
কুমিল্লার অন্যান্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে:
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি মেঘনা) – ১৭টি
কুমিল্লা-২ (হোমনা তিতাস) – ২৮টি
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) – ২৫টি
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) – ১৯টি
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া) – ১৭টি
কুমিল্লা-৬ (সদর) – ৩৩টি
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) – ২৮টি
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) – ১৩টি
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) – ১৮টি
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট লালমাই) – ১৮টি
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) – ২৯টি