
গ্রিনল্যান্ডকে দখল করার সম্ভাব্য দাবির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর ফ্রান্স ও কানাডা গ্রিনল্যান্ডে কনস্যুলেট উদ্বোধন করেছে। দেশ দুইটি নিজেদের সরকারি অফিস স্থাপন করে ডেনমার্ককে সমর্থন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্ত করার বার্তা দিয়েছে।
ফ্রান্স জানিয়েছে, নতুন কনস্যুলেট চালু করার মূল লক্ষ্য হলো গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় করা। অন্যদিকে কানাডা জানিয়েছে, তাদের গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ক রয়েছে, যা এই কনস্যুলেটের মাধ্যমে আরও গভীর হবে।
গ্রিনল্যান্ড মূলত ডেনমার্কের অধীনে থাকা একটি বৃহৎ দ্বীপ। ট্রাম্প সম্প্রতি এই দ্বীপকে মার্কিন অংশ করার সম্ভাব্য দাবি তোলার ফলে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ফ্রান্স ও কানাডা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ডেনমার্ককে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদিও ট্রাম্প পরে কিছুটা নরম হয়েছেন, তবুও মিত্র দেশগুলো ডেনমার্কের পাশে থেকে তাদের কূটনৈতিক এবং সম্ভাব্য সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে যাচ্ছে। এভাবে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত গুরুত্ব এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে।