
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের দলীয় মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে এবং সেই যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামি স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করা হয়েছে, কেউ দেশ ছেড়ে পালায়নি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কান্দরপাড়া এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদসহ দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, জামায়াত এখন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে নেমেছে। কিন্তু অতীতে তারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং সাধারণ মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছিল। তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলে এসেছে।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাইবোনদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিএনপি বিশ্বাস করে সবাই সমান নাগরিক এবং একই দেশের অধিবাসী। তিনি আশ্বাস দেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সবার শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
নির্বাচনী প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আগে নির্বাচনে দুটি প্রধান প্রতীক ছিল—নৌকা ও ধানের শীষ। বর্তমানে নৌকা প্রতীক নির্বাচনের মাঠে নেই এবং নতুন একটি দল ও প্রতীক দাঁড়িপাল্লা এসেছে। তিনি বলেন, ধানের শীষ একটি পরিচিত প্রতীক এবং জনগণের আস্থার প্রতীক।
ধানের শীষে ভোট চেয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাস করে। তিনি জানান, দল ক্ষমতায় গেলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে মা-বোনেরা চাল-ডালসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবা পাবেন। পাশাপাশি কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং নারীদের জন্য আরও বেশি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।