
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাট জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাগেরহাট–২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। তিনটি আসনেই তিনি পেয়েছেন ‘ঘোড়া’ প্রতীক।
বুধবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ২৩ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাছান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনছার, বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রার্থীরা ও তাঁদের সমর্থকেরা।
এই আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীক। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. মাসুদ রানা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক।
দলীয় প্রতীকে বিএনপির কোপিল কৃষ্ণ মণ্ডল পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর মো. মশিউর রহমান খান দাঁড়িপাল্লা, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (বিএমএল) আ. সবুর শেখ হাত (পাঞ্জা), এবি পার্টির আমিনুল ইসলাম ঈগল, জাতীয় পার্টির স ম গোলাম সরোয়ার লাঙ্গল এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এম ডি শামসুল হক হারিকেন প্রতীক পেয়েছেন।
এ আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম এখানেও ঘোড়া প্রতীক পেয়েছেন। বিএনপির দলীয় প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর শেখ মনজুরুল হক রাহাদ দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ আতিয়ার রহমান হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।
এই আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীক। বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াদুদ শেখ পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের জিল্লুর রহমান পেয়েছেন হাতপাখা এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) হাবিবুর রহমান মাস্টার পেয়েছেন তারা প্রতীক।
এই আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির সোমনাথ দে পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল আলীম দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের মো. ওমর ফারুক হাতপাখা, জেএসডির আ. লতিফ খান তারা, জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রী লাঙ্গল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান (শিপন) পেয়েছেন হরিণ প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেন বলেন, সবার সহযোগিতায় বাগেরহাট জেলায় একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।