
ঢাকা-৬ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মান্নান নির্বাচন ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পরই তিনি ব্যালটসহ সংবেদনশীল নির্বাচনী উপকরণের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
বুধবার সকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দের চিঠি গ্রহণ করেন আব্দুল মান্নান। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন অফিস ব্যবস্থাপনা ব্যালট পেপার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী সামগ্রীর নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে, যা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তিনি জানান, রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। নির্বাচনী পরিবেশের নিরপেক্ষতা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেন। তার অভিযোগ, পেশিশক্তি ও অস্ত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনার এখনও সুরাহা হয়নি, পাশাপাশি নির্বাচনের সময় কালো টাকার ব্যবহার একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব বিষয় লিখিতভাবে রিটার্নিং অফিসারকে জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আব্দুল মান্নান আরও বলেন, ঢাকা-৬ আসনের সব থানা পর্যায়ের নির্বাচন অফিস বর্তমানে একটি ভাড়া করা ভবনে পরিচালিত হচ্ছে, যার মালিকানা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তির বলে তিনি দাবি করেন। একই স্থানে ব্যালট পেপার, অমোচনীয় কালি এবং অন্যান্য গোপন ও সংরক্ষিত নির্বাচনী উপকরণ রাখা হলে তা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও অখণ্ডতার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
জামায়াত প্রার্থী জানান, গত ১৪ জানুয়ারি রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হলেও সেটি এখনও কমিশনে পাঠানো হয়নি। এমনকি অভিযোগ গ্রহণের কোনো স্বীকৃত অনুলিপিও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।