
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, গত ১৭ জানুয়ারি সরাইলের ইসলামাবাদ এলাকায় সংঘটিত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে না।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
লিখিত বক্তব্যে রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী দলের লোকজন নিয়মিতভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছে। তিনি বলেন, ওই ঘটনার সময় তিনি কেবল তাদের আচরণের প্রতিবাদ জানিয়ে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছেন, যা কোনোভাবেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে না।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) তার বিরুদ্ধে চিঠি ইস্যু করতে পারেন না। প্রশাসনের এমন পদক্ষেপ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও অফিসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, “যে ইউএনও অফিস একটি চিঠির গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারে না এবং একজন প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তারা কীভাবে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করবে?”—এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি।
রুমিন ফারহানা দাবি করেন, নির্বাচনী মাঠে সমান সুযোগ নিশ্চিত না হলে ভোটের পরিবেশ ব্যাহত হবে। তিনি প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন এবং সব ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি ও রাজনৈতিকভাবে লড়াই চালিয়ে যাবেন।