
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে ভিসা জট কাটতে চলেছে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার ও টিম ম্যানেজমেন্ট সদস্যদের। বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সরাসরি হস্তক্ষেপ করায় শিগগিরই ভিসা হাতে পাওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, মোট ৪২ জন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার ও দলের অন্যান্য সদস্যের ভিসা সংক্রান্ত বিষয় তদারকি করছে আইসিসি। বিভিন্ন পূর্ণ সদস্য ও সহযোগী দেশের দলে থাকা এসব খেলোয়াড় এবং স্টাফদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইংল্যান্ড দলের হয়ে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন স্পিনার আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ এবং পেসার সাকিব মাহমুদ। ইতোমধ্যেই এই তিন ক্রিকেটারের ভিসা ছাড়পত্র মঞ্জুর হয়েছে। একইভাবে নেদারল্যান্ডস দলের হয়ে খেলা জুলফিকার সাকিবসহ অন্য সদস্যদের ভিসাও অনুমোদন পেয়েছে।
এ ছাড়া কানাডা দলের স্টাফ সদস্য শাহ সালিম জাফরের ভিসা মঞ্জুর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দলে আলী খান ও শায়ান জাহাঙ্গির রয়েছেন, যাদের ভিসা প্রক্রিয়াও আইসিসির নজরদারিতে রয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও কানাডার দলে থাকা পাকিস্তানি নাগরিক বা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার ও স্টাফদের ভিসা সংক্রান্ত জট এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তবে এসব আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আইসিসি নিয়মিত তদারকি করছে।
সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট দলগুলোর ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফদের আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারিত হয়েছে। ফলে ভিসা জটিলতার এই প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী সব খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রদানের শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ জানুয়ারি। আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাকি সব ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে আশ্বাস পাওয়া গেছে।
জানা যায়, আইসিসি একাধিক দেশের ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে পুরো প্রক্রিয়াটি সমন্বয় করছে। এই উদ্যোগে খেলোয়াড়দের পাশাপাশি স্টাফ ও স্ট্যান্ডবাই সদস্যদের ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ভিসা সংক্রান্ত অগ্রগতি পরিকল্পনামাফিক চলায়, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের আগে সব দলই লজিস্টিক দিক থেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে বলে আশাবাদী আইসিসি।