
হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। যদিও আগের দিনের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, তবু কনকনে ঠান্ডা কমেনি। গত কয়েকদিন ধরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরেই ওঠানামা করছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় এ অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
পঞ্চগড়ের আশপাশের উপজেলাগুলোতে বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। তবে উত্তর হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা এখনো বজায় রয়েছে। দিনের বেলায় রোদের দেখা মিলছে না বললেই চলে, ফলে শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে।
কনকনে ঠান্ডায় গ্রামাঞ্চলের মানুষ গরম কাপড় পরে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে বের হচ্ছেন। তবে শীত বাড়লেও সরকারি উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ প্রয়োজনের তুলনায় এখনো সীমিত বলে অভিযোগ রয়েছে।
শীতের প্রভাবে হাসপাতালগুলোতেও চাপ বেড়েছে। পঞ্চগড়ের বিভিন্ন হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিনই শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যা বেশি। যাদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর, কেবল তাদেরই হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, হিমালয়ের নিকটবর্তী হওয়ায় এ অঞ্চলে প্রতিবছরই শীতের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি থাকে। তিনি বলেন, শুক্রবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৯ শতাংশ। সামনে আরও কয়েকদিন তাপমাত্রা কমতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।