
র্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালনসহ সব সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দিনাজপুর জেলায় বিভিন্ন অবৈধ ইটভাটায় পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর অতিরিক্ত সালফার ব্যবহার, অ্যাশ-মারকারি সম্বলিত কয়লা ব্যবহার এবং ছাড়পত্রবিহীন ইটভাটা স্থাপনের তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণসহ অবৈধ ইটভাটা ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা ও প্রসার রোধে র্যাব-১৩ গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।
র্যাবের চলমান অভিযানের ধারাবাহিকতায় ইং ১৪/০১/২০২৬ তারিখ সকাল ১১.৩০ ঘটিকা হতে বিকাল ০৪.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত র্যাব-১৩, সিপিসি-১, দিনাজপুরের চৌকস আভিযানিক দল এবং বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, দিনাজপুর জেলা পুলিশ, পরিবেশ অধিদপ্তর, দিনাজপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বিদ্যুৎ বিতরন কেন্দ্রের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানা এলাকায় যৌথ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বাংলাদেশ ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯) এর ১৪/১৫/১৮ ধারা অনুসারে লাইসেন্স ব্যতীত/জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ব্যতীত নিম্নমানের মাটির ব্যবহার, মানমাত্রার অতিরিক্ত সালফার, অ্যাশ-মারকারি সম্বলিত কয়লা ব্যবহার এবং নিষিদ্ধ এলাকায় অবৈধ ইটভাটা স্থাপনের অপরাধে ইট ভাটার মালিক ১। মোঃ রাশেদকে ৩ লক্ষ টাকা, ২। মোঃ জুয়েলকে ৩ লক্ষ টাকা, ৩। মহসিন আলীকে ৫ লক্ষ টাকা, দুলাল রায়কে ৩ লক্ষ টাকাসহ সর্বমোট ১৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
বিভিন্ন অপরাধ দমনে র্যাব-১৩ এর প্রতিটি সদস্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং অপরাধ প্রতিরোধে র্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।