
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বিভিন্ন সময়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় মো. হোসেন আলী ওরফে ‘বোমা হোসেন’ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হোসেন আলী গাংনী উপজেলার পূর্ব মালসাদাহ গ্রামের মৃত ওহিল উদ্দিনের ছেলে। পুলিশ জানায়, গাংনীর বিভিন্ন এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনাগুলো তদন্ত করতে গিয়ে হোসেন আলীর সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থেকে গ্রেপ্তারের পর হোসেন আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গাংনীর পূর্ব মালসাদাহ গ্রামে তার নিজ বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তার দেখানো স্থান থেকে দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনাগুলোর তদন্তের ধারাবাহিকতায় হোসেন আলীকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নিজ বাড়ি থেকে দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরো জানিয়েছে, হোসেন আলীর বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলাসহ সাতটি জিআর ওয়ারেন্ট রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তদন্তকারীরা এখন হোসেন আলীর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তার সহযোগীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
গাংনীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনাগুলোর সঙ্গে হোসেন আলীর সংশ্লিষ্টতা কীভাবে ছিল, সে বিষয়েও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলো নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ও তদন্ত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।