
ডোপ টেস্টে কোকেনের মেটাবোলাইট পজিটিভ হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার টেনিস তারকা নিক কিরগিওসকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) আন্তর্জাতিক টেনিস ইন্টিগ্রিটি এজেন্সি বা ITIA বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সাবেক উইম্বলডন ফাইনালিস্ট কিরগিওস নিজেও ঘটনার দায় স্বীকার করে এটিকে ‘বড় ভুল’ বলে উল্লেখ করেছেন।
ITIA জানিয়েছে, ৩১ বছর বয়সী কিরগিওস গত ২২ জুন স্পেনের মায়োর্কায় অনুষ্ঠিত একটি ATP 250 টুর্নামেন্টে ডোপ পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছিলেন। ১৭ জুলাই বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি বা WADA-অনুমোদিত একটি পরীক্ষাগারে ওই নমুনায় benzoylecgonine পাওয়া যায়, যা কোকেন বিপাকের ফলে তৈরি একটি মেটাবোলাইট।
কোকেন WADA-এর নিষিদ্ধ তালিকায় ‘স্টিমুল্যান্ট’ ও ‘সাবস্ট্যান্স অব অ্যাবিউজ’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ এবং প্রতিযোগিতার সময় এটি নিষিদ্ধ। এই ধরনের পজিটিভ পরীক্ষার ক্ষেত্রে টেনিসের অ্যান্টি-ডোপিং নিয়ম অনুযায়ী সাময়িক নিষেধাজ্ঞা বাধ্যতামূলক। কিরগিওসের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে গত ৪ আগস্ট থেকে।
নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি সাময়িকভাবে কোনো ATP, WTA বা গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্টে খেলতে বা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। কোচিং বা অনুমোদিত টেনিস ইভেন্টে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ থাকবে। তবে এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞা চূড়ান্ত শাস্তি নয়; কিরগিওসের আপিল করার অধিকার রয়েছে। ITIA জানিয়েছে, বুধবার পর্যন্ত তিনি আপিল করেননি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে কিরগিওস নিজের ভুলের জন্য ভক্ত, পরিবার, পৃষ্ঠপোষক ও তার অনুসারীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক চোটের কারণে তার ক্যারিয়ারও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ২০২২ সালে উইম্বলডনের ফাইনালে উঠলেও নোভাক জোকোভিচের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছিলেন তিনি।
এখন কিরগিওসের মামলার পরবর্তী প্রক্রিয়ার দিকে নজর থাকবে। চূড়ান্ত শুনানি ও তদন্তের ভিত্তিতে তার ওপর আরও কোনো শাস্তি দেওয়া হবে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।