
গণভোটের রায় কার্যকর হলে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে অলি আহমদের পক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ দাবি করেন। হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়ার সুযোগ পেতেন এবং সে ক্ষেত্রে কর্নেল অলি আহমদ বিপুল ভোটে জয়ী হতেন।
তিনি আরও দাবি করেন, গণভোটের রায় কার্যকর করা হলে বিএনপিও বিতর্কমুক্ত থাকতে পারত। তার ভাষ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১১ দলীয় জোট গণতন্ত্র চর্চার নতুন ধারা তৈরির লক্ষ্যেই প্রার্থী দিয়েছে।
হামিদুর আযাদ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়-পরাজয় ১১ দলীয় জোটের কাছে প্রধান বিষয় নয়; বরং প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেওয়াকেই তারা গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে। একই সঙ্গে বিএনপি কৌশল অবলম্বন করে সংসদে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করেছে সংসদের বিরোধী দল হিসেবে থাকা ১১ দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তার পক্ষে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, অলি আহমদের মনোনয়নসংক্রান্ত সব তথ্য ও উপাত্ত সুনিপুণভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামও চূড়ান্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৬ আগস্ট এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ২০ আগস্ট সংসদ ভবনে।