
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভোটাররা পরিবার-পরিজনসহ আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
শনিবার সকাল ১১টার দিকে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি বাস টার্মিনালের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ঘুরে দেখেন এবং যাত্রীসেবা ও ব্যবস্থাপনার বিদ্যমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।
আদিলুর রহমান খান বলেন, এবারের নির্বাচন ও গণভোট কেবল একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয়; এটি বাংলাদেশের আগামী একশ বছরের জন্য গণতান্ত্রিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে সহায়ক হবে। তাই সরকার এই নির্বাচনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আয়োজন করছে।
তিনি জানান, নির্বাচনের সময় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তা বাস্তবেও কার্যকর থাকবে। সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা সমান সুযোগ পাবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আরও বলেন, সবকিছু বিবেচনায় এবারের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই নির্বাচন তার কাঙ্ক্ষিত গ্রহণযোগ্যতা পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
গণভোট প্রসঙ্গে আদিলুর রহমান খান বলেন, রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই সনদের পক্ষে জনগণের মতামত ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হবে। এই গণভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পর্কে মত প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা সংসদে আসবেন এবং এর ফলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় হবে। জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগই গণতন্ত্রের মূল শক্তি—এ কথা উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।