
আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেশে সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সরকারি অফিস-আদালত, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং অধিকাংশ সরকারি দপ্তর বন্ধ থাকবে। এরই মধ্যে পোশাক খাতের শ্রমিকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—সেদিন পোশাক কারখানাগুলোতে ছুটি থাকবে কি না।
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর ২০২৬ সালের অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ৫ আগস্ট (বুধবার) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে বিজিএমইএভুক্ত কারখানাগুলোতে এদিন ছুটি থাকার কথা।
বিজিএমইএর প্রকাশিত ছুটির তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের শ্রম অধ্যাদেশ অনুযায়ী প্রত্যেক শ্রমিককে প্রতি পঞ্জিকা বছরে ১৩ দিনের মজুরিসহ উৎসব ছুটি প্রদান করতে হবে। বিধি অনুযায়ী কারখানার মালিকপক্ষ এসব ছুটির দিন ও তারিখ নির্ধারণ করবেন। সেই তালিকায় ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকাতেও ৫ আগস্ট সাধারণ ছুটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ বছর দিবসটি বুধবার হওয়ায়, কেউ যদি পরদিন বৃহস্পতিবার ঐচ্ছিক ছুটি গ্রহণ করেন, তাহলে সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা চার দিনের অবকাশ উপভোগের সুযোগ পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
তবে শ্রম সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো কারখানায় বিশেষ উৎপাদন চাহিদা বা জরুরি রপ্তানি কার্যক্রম থাকলে প্রচলিত শ্রম আইন অনুসরণ করে মালিকপক্ষ পৃথক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কারখানার নিজস্ব নোটিশ বা ব্যবস্থাপনার নির্দেশনাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
তাই পোশাকশ্রমিকদের নিজ নিজ কারখানার প্রশাসনিক নোটিশ বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।