
উত্তরাঞ্চলের শহর ময়মনসিংহ-এ সম্প্রতি লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। দিনে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।
শনিবার দিবাগত রাতে রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায় রাত ১টা ১০ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে যায় এবং প্রায় দেড় ঘণ্টা পর তা ফিরে আসে। এরপর ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে আবারও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়। সকালেও একাধিকবার লোডশেডিং হওয়ায় ওই এলাকার বাসিন্দারা রাতভর ঘুমাতে পারেননি।
স্থানীয় বাসিন্দা হালিমা খাতুন জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় তারা প্রচণ্ড কষ্টে রাত কাটিয়েছেন। শুধু একটি এলাকায় নয়, পাটগুদাম, সানকিপাড়া, স্টেশন রোড ও কলেজ রোডসহ নগরের বিভিন্ন এলাকায় একই অবস্থা বিরাজ করছে। অনেক এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় মোট ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)-এর তথ্যমতে, বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা বাড়লে বিদ্যুতের ব্যবহারও বেড়ে যায়, যার ফলে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়।
নগরের বাতিলকল এলাকার বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউল ইসলাম জানান, শনিবার সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৪৮ মেগাওয়াট, কিন্তু সরবরাহ ছিল মাত্র ৩৪ মেগাওয়াট। ফলে ১৪ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হয়, যার কারণে ব্যাপক লোডশেডিং করতে হয়েছে।
এদিকে, বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র উত্তরের অধীনেও একই ধরনের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষ শুধু রাতে ঘুমাতে পারছেন না, বরং দিনের কাজকর্মেও ব্যাঘাত ঘটছে। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য না আসা পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।উত্তরাঞ্চলের শহর ময়মনসিংহ-এ সম্প্রতি লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। দিনে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।
শনিবার দিবাগত রাতে রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায় রাত ১টা ১০ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে যায় এবং প্রায় দেড় ঘণ্টা পর তা ফিরে আসে। এরপর ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে আবারও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়। সকালেও একাধিকবার লোডশেডিং হওয়ায় ওই এলাকার বাসিন্দারা রাতভর ঘুমাতে পারেননি।
স্থানীয় বাসিন্দা হালিমা খাতুন জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় তারা প্রচণ্ড কষ্টে রাত কাটিয়েছেন। শুধু একটি এলাকায় নয়, পাটগুদাম, সানকিপাড়া, স্টেশন রোড ও কলেজ রোডসহ নগরের বিভিন্ন এলাকায় একই অবস্থা বিরাজ করছে। অনেক এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় মোট ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)-এর তথ্যমতে, বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা বাড়লে বিদ্যুতের ব্যবহারও বেড়ে যায়, যার ফলে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়।
নগরের বাতিলকল এলাকার বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউল ইসলাম জানান, শনিবার সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৪৮ মেগাওয়াট, কিন্তু সরবরাহ ছিল মাত্র ৩৪ মেগাওয়াট। ফলে ১৪ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হয়, যার কারণে ব্যাপক লোডশেডিং করতে হয়েছে।
এদিকে, বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র উত্তরের অধীনেও একই ধরনের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষ শুধু রাতে ঘুমাতে পারছেন না, বরং দিনের কাজকর্মেও ব্যাঘাত ঘটছে। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য না আসা পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।