
বিশ্বব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ও গুরুতর আহতের সংখ্যা কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে নেতৃত্বের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অংশ হিসেবে যৌথসভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, শুধু শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গঠন করলেই হবে না; সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যকর ভূমিকা ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, পরিবহন, স্বাস্থ্য, পুলিশ, অর্থ, শিক্ষা, পরিবেশ এবং স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দায়িত্বের সুস্পষ্ট বণ্টন, কার্যকর সমন্বয় এবং নীতিমালা ও বাস্তবায়নের মধ্যে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা জরুরি। এর মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা কমানো এবং নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সহজ হবে।
সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব উদ্যোগকে শক্তিশালী সরকারি নেতৃত্ব, কার্যকর সমন্বয় এবং জবাবদিহিতার কাঠামোর আওতায় পরিচালনা করতে হবে।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।