
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল শুধু শিরোপা নির্ধারণের ম্যাচ নয়, একই সঙ্গে নির্ধারণ করবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’-এর মালিক কে হবেন। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার এই মহারণের আগে গোল্ডেন বুট দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে।
বর্তমানে এমবাপ্পের গোল সংখ্যা ১০, যা তিনি তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে অর্জন করেছেন। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির ঝুলিতে রয়েছে ৮ গোল, ফলে তিনি অবস্থান করছেন দ্বিতীয় স্থানে।
এ পরিস্থিতিতে গোল্ডেন বুট জিততে হলে মেসিকে ফাইনালে অন্তত দুটি গোল করতে হবে। তবে শুধু গোল সংখ্যা সমান করলেই হবে না। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, গোল সমান হলে প্রথম টাইব্রেকার হিসেবে গণ্য হবে অ্যাসিস্ট সংখ্যা। বর্তমানে মেসি ও এমবাপ্পে—দুজনেরই অ্যাসিস্ট সংখ্যা সমান, চারটি করে।
যদি মেসি ফাইনালে দুটি গোল করেন কিন্তু কোনো অ্যাসিস্ট না করেন, তাহলে গোল ও অ্যাসিস্ট—উভয় ক্ষেত্রেই সমতা তৈরি হবে। তখন দ্বিতীয় টাইব্রেকার হিসেবে বিবেচনা করা হবে খেলোয়াড়দের মাঠে কাটানো সময়। এই দিক থেকেও এমবাপ্পে এগিয়ে আছেন, কারণ তিনি তুলনামূলক কম সময় মাঠে থেকে একই সংখ্যক গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন।
ফলে মেসির জন্য সমীকরণটা বেশ কঠিন। তাকে শুধু গোল করলেই হবে না, বরং অ্যাসিস্টের ক্ষেত্রেও এগিয়ে যেতে হবে কিংবা এমন পারফরম্যান্স দেখাতে হবে, যাতে টাইব্রেকার হিসাবেও তিনি এগিয়ে থাকেন।
সব মিলিয়ে গোল্ডেন বুটের লড়াই এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে ফাইনালের পারফরম্যান্সের ওপর। মেসি ও এমবাপ্পের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিশ্বকাপ ফাইনালকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে। ফুটবল বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে—শেষ হাসি কে হাসেন।