
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরকাল অমর হয়ে থাকবে। তিনি মনে করেন, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে খালেদা জিয়া একটি অনন্য ও অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ড. মঈন খান।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এমন একজন নারী, যিনি একজন সাধারণ গৃহবধু থেকে জনগণের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশের মানুষের কল্যাণে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করেছিলেন। গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে তিনি ব্যক্তিগত জীবনের সব স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করেন।
ড. মঈন খান আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনেকেই ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় স্বার্থে আপস করলেও খালেদা জিয়া ছিলেন ব্যতিক্রম। তাঁর কাছে দেশের স্বার্থ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নই ছিল সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
তিনি বলেন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য খালেদা জিয়া কখনো পিছপা হননি। তিনি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে রাজনীতি করেননি; বরং রাজপথে থেকে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বিভিন্ন প্রতিকূলতা ও বাধা সত্ত্বেও তিনি কখনো থেমে যাননি উল্লেখ করে ড. মঈন খান বলেন, খালেদা জিয়ার শক্তির উৎস ছিল জনগণ। তিনি বন্দুকের শক্তিতে নয়, মানুষের সমর্থনেই রাজনীতি করেছেন।
ড. মঈন খান বলেন, রাজপথে থেকে সংগ্রাম, জনগণের পক্ষে কথা বলা এবং মানুষের অধিকার আদায়ে আত্মনিবেদন—এসবের মধ্য দিয়েই খালেদা জিয়া নিজেকে ইতিহাসে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, গণতন্ত্রের ইতিহাস এবং মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার ধারায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একটি অনন্য ও চিরস্মরণীয় নাম হয়ে থাকবেন।